চক্রশীলা। রায়মনা। মানাস। মায়ং-পবিতোরা। কাজিরাঙ্গা। বুঢ়াচাপরি-লাওখোয়া। দিহিং পাটকাই। ডিব্রু সইখোয়া। নামবর দইগ্রং। বরাইল আসামের এই দশটি সংরক্ষিত অরণ্যকে জীববৈচিত্র্যের ভাণ্ডার বলা যায়। ৭৮.৫ হাজার বর্গ কিমি আয়তনের এই রাজ্যে এখনো এক তৃতীয়াংশ অরণ্যাঞ্চল। সোনালি বানর, হুলক গিবন, হিস্পিড হেয়ার, পিগমি হগ, সোয়াম্প ডিয়ার, ওয়াটার বাফেলো ইত্যাদি দুর্লভ স্তন্যপায়ী প্রাণীর আবাস এইসব বনভূমিতে রয়েছে অসংখ্য প্রজাতির পাখি, প্রজাপতি, সরীসৃপ। জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ তাই আসামের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই বইটির লেখক সৌম্যদ্বীপ দত্ত গত চার দশক ধরে বন্যপ্রাণ রক্ষার স্বার্থে অরণ্য সংরক্ষণের দাবিতে তাঁর আপসহীন লড়াই জারি রেখেছেন, অনেক ক্ষেত্রেই সফলও হয়েছেন। বন ও বন্যপ্রাণ সংরক্ষণ নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে চেতনা জাগাতে তিনি যেমন বহু বই লিখেছেন, তেমনই জঙ্গলগুলিতে তাঁর নিয়মিত যাতায়াত, জঙ্গলের প্রতি তাঁর নিখাদ ভালবাসা পরিস্ফুট হয় তাঁর বইগুলিতে। এর আগে তাঁর একাধিক বই বাংলায় অনূদিত হয়ে প্রকাশিত হয়েছে। ‘আমাদের আসামের অরণ্যকথা’ তাঁর সরাসরি বাংলায় লেখা প্রথম বই। অরণ্যের সঙ্গে তাঁর নিবিড় সখ্যতার পরিচয় মেলে এই বইতে। জঙ্গলগুলিতে যাওয়ার প্রেরণা মেলে। আর পর্যটকদের সুবিধের জন্য প্রত্যেকটি কাহিনির শেষে সেই জঙ্গল দেখতে গিয়ে থাকার জন্য রিসর্ট-হোমস্টে-র কিছু যোগাযোগ নাম্বারও দেওয়া রয়েছে।
| ISBN: | 978-81-988086-6-0 |
| Publish Date: | 22-01-2026 |
| Page: | 160 |
| Language: | Bengali |
| Binding: | Hard Board |