পূর্বে আসামের ধনসিরি (উদালগুড়ি) নদী থেকে শুরু করে পশ্চিমে পশ্চিমবঙ্গের তিস্তা নদী পর্যন্ত সমগ্র ডুয়ার্সের নান্দনিক সম্পদের বর্ণনা রয়েছে এই বইটিতে। ২৮০ পৃষ্ঠার বইটি আগাগোড়া রঙিন ছবিতে ভরা, আর্ট পেপারে ছাপা। কুড়ি জন লেখক ও আরো কুড়ি জন ফোটোগ্রাফার মিলে তুলে ধরেছেন সমগ্র ডুয়ার্সকে। যে প্রচেষ্টা আগে কখনো হয়নি। পশ্চিমবঙ্গ ও আসাম এই দুই প্রতিবেশী রাজ্যের অন্তর্গত ডুয়ার্স নামক এই ভূখণ্ডের জল-জঙ্গল-জনসত্তা, ইতিহাস, সুখ-দুঃখ-সমস্যাগুলি সব একরকম। যুগে যুগে কত শত জনগোষ্ঠীর স্রোত এসে মিশেছে এই ডুয়ার্স ভূমিতে, ইতিহাসের মতোই আজও আন্তর্জাতিক রাজনীতির আঙিনায় ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ এই অঞ্চল। ইংরেজরা এসে আধুনিক ডুয়ার্সের জন্ম দিয়েছিল, সারা পৃথিবীর কাছে চায়ের দেশ হিসেবে পরিচিত হয়েছিল ডুয়ার্স। চা বাগানের দাপটে অরণ্যভূমি ডুয়ার্সের পশ্চিমাংশে কমে গেলেও পূর্ব অংশের বনভূমির ঘনত্ব তা পুষিয়ে দেয়। চা সাম্রাজ্যের সেই সাবেক গরিমা আজ না থাকলেও গভীর অরণ্য ও গম্ভীর হিমালয়ের পটভূমিতে চা বাগিচার কল্যাণে সৃষ্ট অনুপম ল্যান্ডস্কেপ আজ পর্যটকদের টানে। ডুয়ার্সের অরণ্যের জীববৈচিত্র্য আমাদের জাতীয় প্রকৃতি-সম্পদে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখে। ডুয়ার্স নিয়ে প্রকৃতিপ্রেমীদের নিরন্তর আগ্রহ, চর্চা ও দায়িত্বশীল সমাগম এই পিছিয়ে পড়া অঞ্চলের প্রভূত উন্নতি সাধন করতে পারে। ডুয়ার্স নিয়ে তাঁদের উৎসাহ বহুগুণে বাড়িয়ে তুলতেই সংকলিত হলো এই বই।
| ISBN: | 978-81-982541-8-4 |
| Publish Date: | 01-01-2026 |
| Page: | 280 |
| Language: | Bengali |
| Binding: | Hard Board |